পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, ১৩ জনের মৃত্যু

Untitled design (95)

পেরুর মরুভূমিতে নাজকা লাইনস ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের বহনকারী একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ১১ জন যাত্রী ও ২ জন পাইলটসহ মোট ১৩ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যম ও কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিবিসি নিউজ। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুজন জার্মান, দুজন স্প্যানিশ এবং সাতজন ইতালীয় পর্যটক ছিলেন।
জানা গেছে, বিদেশি পর্যটকরা স্থানীয় সময় শনিবার ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নাজকা লাইনস ভ্রমণে রওনা হন। কিন্তু পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের বিমানটি পুয়েবলো ভিয়েহো এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। পরে এতে আগুন ধরে যায়। তবে দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে উদ্ধৃত করে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। কাউকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিওতে ঘটনাস্থলের ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া উঠতে এবং দমকলকর্মীদের আগুন নেভাতে দেখা গেছে। এদিকে, নাজকা প্রাদেশিক পৌর কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এই দুর্ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, দক্ষিণ পেরুর মরুভূমিতে অবস্থিত নাজকা লাইনস একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। মরুভূমির বালিতে আঁকা বিশাল আকারের পশুদের এই নকশাগুলো মাটি থেকে ভালোভাবে দেখা না গেলেও, আকাশ থেকে পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। তাই, পর্যটকরা প্রায়শই এই রহস্যময় নকশাগুলো দেখতে ছোট বিমানে করে ঘুরে বেড়ান।
উল্লেখ্য যে, নাজকা লাইনস এলাকায় এটি প্রথম বিমান দুর্ঘটনা নয়। ২০২২ সালে, একই এলাকায় একটি ছোট পর্যটক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৭ জন নিহত হয়েছিল। এর আগে, ২০১০ সালে আরেকটি পর্যটক বিমান দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছিল।

Description of image