দেশজুড়ে পশুর হাট ভরে উঠছে, দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

Untitled design (9)

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোরবানির পশুর হাটগুলো ভরে গেছে। তবে সাধারণ ক্রেতাদের চেয়ে পাইকারি ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বেশি। দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। আর বিক্রিতে কৃষক ও পশুপালকেরা এখনও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন।
কৃষক ও পশুপালকেরা দূর-দূরান্ত থেকে রংপুরের হাটগুলোতে গরু নিয়ে এসেছেন। সাথিবাড়ি, বেতগাড়ি, খানসামা, বারাবাড়িসহ বিভাগের ৫০০-র বেশি স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট এখন গরু ও ব্যবসায়ীদের ভিড়ে ঠাসা। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা আসছেন। পাইকারি ক্রেতারা বলছেন, গতবারের তুলনায় প্রতি মণ দাম ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি। অন্যদিকে, কৃষকরা দাবি করছেন, গরু বিক্রি করেও তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
আর জামালপুরে রয়েছে ৩৫টিরও বেশি স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট। ক্রেতারা বলছেন যে গরুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও তারা দাম ঠিক করতে পারছেন না। তবে, চুয়াডাঙ্গার বাজারগুলোতেও ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে। জেলায় ৫টি স্থানে স্থায়ী হাট বসেছে। এবার বড় গরুর চাহিদা কিছুটা কম। দেশি জাতের মাঝারি ও ছোট গরুর পাশে ভিড় বেশি। দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, নওগাঁয়ে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে দেশি জাতের মাঝারি আকারের ষাঁড়। এখানকার কৃষকরা চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করেছেন। সরবরাহ ভালো হওয়ায় ক্রেতারাও বেশ খুশি। তবে, কৃষকরা বাজারদর নিয়ে অসন্তুষ্ট। এরই মধ্যে, কিশোরগঞ্জের কোরবানির বাজারে সাড়া দিয়েছে ‘মহারাজা’ এবং ‘রাজবাবু’। এই দুটি বিশাল ষাঁড়কে দেখতে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ভিড় জমছে। কৃষকরা বলছেন যে এদের লালন-পালনে কোনো ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়নি। তারা ভালো দামে এগুলো বিক্রি করার আশা করছেন। এদিকে, প্রশাসন জানিয়েছে যে পশুদের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখতে প্রাণিসম্পদ ও কৃষি কর্মকর্তারা হাটগুলোতে সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।

Description of image