সংসদে রুমিন ফারহানার বক্তৃতার সময় ‘অশোভন অঙ্গভঙ্গি’

Untitled design (50)

জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তৃতার সময় সরকারি দলের (ট্রেডিস্ক বেঞ্চ) কিছু সদস্যের করা ‘অশোভন অঙ্গভঙ্গি’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান। সংসদে একটি শালীন পরিবেশ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে তিনি সংসদ সদস্যদের শিষ্টাচার মেনে চলার আহ্বান জানান।
আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে একটি পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা এসব মন্তব্য করেন। ড. শফিকুর রহমান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তৃতার সময় ট্রেজারি বেঞ্চের কিছু সদস্যের করা অশোভন অঙ্গভঙ্গি আমার বিবেককে নাড়া দিয়েছে।
একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে এমন আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়। তিনি আরও বলেন, “সংসদের শুরুতে আমরা একটি ইতিবাচক ও শোভন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেছিলাম। কিন্তু বারবার আহ্বান সত্ত্বেও এই ধরনের অশোভন আচরণ অব্যাহত থাকায় আমি অত্যন্ত দুঃখিত এবং এর তীব্র নিন্দা জানাই।”
কথা বলার ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “সংসদে কথা বলার ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।” তবে, সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বৈষম্য দেখা যাচ্ছে তা উদ্বেগজনক। তিনি স্পিকারকে এই প্রক্রিয়াটি পর্যায়ক্রমে বা ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সংসদের সকল সদস্যকে কার্যপ্রণালীর নিয়ম অনুযায়ী শিষ্টাচার বজায় রেখে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম নতুন সদস্যদের কথা বলার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, চলতি সংসদে প্রায় ২২০ জন নতুন সদস্য রয়েছেন। তারা নিজ নিজ এলাকার সমস্যা এবং জাতীয় বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান। কিন্তু মনে হচ্ছে, বারবার সুযোগ পেয়েও অনেক সদস্য একবারও কথা বলতে পারছেন না। চিফ হুইপ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে, যারা আগে নোটিশ দেন, তাদের উচিত নিজেদের বক্তব্যের একটি ধারাবাহিক তালিকা বা ক্রম অনুসরণ করা। এতে নতুন সদস্যরা উৎসাহিত হবেন এবং সংসদের কার্যক্রম আরও প্রাণবন্ত হবে।

Description of image