আল্লাহই জানেন তার ছেলেকে কী যন্ত্রণা দেওয়া হয়েছে: জামিলের বাবা

Untitled design (8)

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইউএসএফ) খুন হওয়া বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। তার আত্মীয়-স্বজনরা জামিলের মরদেহ নিয়ে ইতোমধ্যে জামালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। মাগরিবের পর জানাজার শেষে সেখানেই তাকে দাফন করা হবে।
এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি আজ সোমবার (৪ মে) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবাইদ মরদেহটি গ্রহণ করেন। এ সময় লিমনের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
জামিলের বাবা জহুরুল হক বলেন, “বাবা হিসেবে আমি আমার দুই ছেলেকে ধাপে ধাপে বড় করার চেষ্টা করেছি। আমি তাদের কোনো কষ্ট দিইনি। আমি তাদের কোনো শারীরিক শাস্তি দিইনি। যা কিছু শাসন করেছি, তা মৌখিকভাবেই করেছি। আমি জানতাম না যে আমার ছেলে এভাবে মারা যাবে, আল্লাহই জানেন তাকে কী যন্ত্রণা দেওয়া হয়েছে।” এটাই আমাকে কষ্ট দেয়।
অন্যদিকে, জামিলের মামা জানিয়েছেন যে, জামালপুরের মাদারগঞ্জে মাগরিবের পর জামিলের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে, এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তিনি তার রুমমেট সম্পর্কিত কোনো কিছুই পরিবারের সাথে শেয়ার করেননি। তিনি পরিবারকে কোনো ধরনের সমস্যা বা ঝামেলার কথা জানাননি। তিনি বলেন, সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।
তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ সরকার এবং মার্কিন সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চাই। জামিল আহমেদ লিমন (২৭) সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তিনি ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হন। পরে শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Description of image