ফেব্রুয়ারি 25, 2026

এবার রুমিন ফারহানার কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা

Untitled_design_-_2026-02-24T095635.364_1200x630

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে বাধা দেওয়া এবং কর্মীদের মারধরের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে, সরাইল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে রুমিন ফারহানার এক কর্মী মামলা দায়ের করেছিলেন।
গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সরাইল থানা মামলাটি দায়ের করে। গত রবিবার রাতে আনোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী তামিম মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম এবং ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে যে, ২১ ফেব্রুয়ারি ভোরে অভিযোগকারীসহ অজ্ঞাত আসামিরা জেলা বিএনপির সদস্য এবং সরাইল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ফারজানা আনোয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে তার বাড়ির সামনে লাঞ্ছিত করে। বাদী প্রতিবাদ করতে গেলে আসামিরা তাকে মারধর করে এবং নগদ টাকা লুট করে।
মামলা সম্পর্কে স্বতন্ত্র সাংসদ রুমিন ফারহানা ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছেন, “২১শে ফেব্রুয়ারি তারা আমাকে শহীদ মিনারে যেতে বাধা দেয়নি, আজ তারা আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা তৈরি করেছে। যদিও পুরো ঘটনাটি ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশ প্রশাসনের সামনে ঘটেছে, তবুও তারা বোবা এবং বধির ছিল। এটি নতুন বাংলাদেশ এবং নতুন রাজনীতির একটি উদাহরণ।
এর আগে, সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এমপি রুমিন ফারহানাকে শ্রদ্ধা জানাতে বাধা দেওয়া এবং তার কর্মীদের মারধরের অভিযোগে গত রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেন আহাদ নামে রুমিন ফারহানার এক কর্মী। মামলার প্রধান আসামি সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। মামলায় নাম উল্লেখিত পাঁচ আসামি ছাড়াও ১৪০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Description of image