পাকিস্তান প্রথমবারের মতো অপারেশন সিন্দুরে ক্ষতি স্বীকার করেছে

Untitled_design_-_2025-12-29T170729.792_1200x630

গত মে মাসে ভারতীয় সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ প্রথমবারের মতো ক্ষতি স্বীকার করেছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন যে, এই অভিযানের ফলে দেশের নূর খান বিমান ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গতকাল রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানী ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দার বলেন, “ভারত মাত্র ৩৬ ঘন্টার মধ্যে নূর খান বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে ৮০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে। তবে, পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৮০টি ড্রোনের মধ্যে ৭৯টি আটকাতে সক্ষম হয়েছে এবং মাত্র একটি আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে।”
তিনি বলেন, নূর খান বিমান ঘাঁটিতে আক্রমণ করা ভারতের জন্য একটি ভুল ছিল। কারণ এই হামলার পরই পাকিস্তান পাল্টা অভিযান (অপারেশন বুনিয়ান উম্মে মারসুস) শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রসঙ্গত, পাকিস্তান সরকারের কোনও মন্ত্রী এর আগে কখনও অপারেশন সিন্দুরের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করেননি। ইসহাক দারের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে ইসলামাবাদ এই বিষয়ে তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে।
রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নূর খান বিমান ঘাঁটিকে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ইসহাক দার আরও বলেন যে, পাকিস্তান ভারতের কাছ থেকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানায়নি।
তিনি বলেন যে, ১০ মে ভোরে নূর খান বিমান ঘাঁটিতে হামলার পর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সকাল ৮:১৭ মিনিটে তাকে ফোন করে জানান যে ভারত যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত এবং নয়াদিল্লি জানতে চায় যে পাকিস্তানও যুদ্ধবিরতিতে রাজি কিনা। “আমি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি যে পাকিস্তানের যুদ্ধে জড়ানোর কোনও ইচ্ছা নেই।”

Description of image