পর্যায়ক্রমে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

Untitled design (63)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকারকে ক্ষমতায় আসার পরপরই বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অতীতে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এতে শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তারা ভালো থাকলে এই দেশও ভালো থাকবে। গতকাল শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মে দিবস উপলক্ষে নয়াপল্টনে এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী সরকার শুধু শ্রমিকদের অধিকারই হরণ করেনি, বরং প্রত্যেককে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। পুরো দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করে তোলা হয়েছিল। একই সাথে দেশের প্রতিটি খাত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এই দেশে কারখানা স্থাপনের জন্য তাদের সরকারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ ভালো থাকলে এই দেশও ভালো থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যানজটসহ সাধারণ মানুষের সমস্যার কারণে হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে, কিন্তু তাদের পরিবারের কথা বিবেচনা করে হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সরকার দেশের পরিশ্রমী মানুষদের কর্মসংস্থান দেবে। স্থান নির্ধারণ করে পর্যায়ক্রমে হকারদের পুনর্বাসন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী বিশ্ব আদালতে বাংলাদেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, কিন্তু এতে কোনো লাভ হবে না, বিশ্ব আদালত জানে যে এই সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। আমাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, যেভাবে আমরা স্বৈরাচারের জবাব দিয়েছি, সেভাবেই ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিরোধ করতে হবে, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। বক্তৃতার শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেকে একজন কর্মী হিসেবে ঘোষণা করে বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে দেশ গড়ি।’

Description of image