ইরান ‘নিষিদ্ধ’ বোমা ব্যবহার করছে – ইসরায়েলের অভিযোগ

Untitled design - 2025-06-23T131104.203

ইরান ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে মোড়ানো ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ করছে। তেহরানের বিরুদ্ধে আইডিএফের এই অভিযোগ। দাবি – তেল আবিবে সাম্প্রতিক হামলায় শক্তিশালী অস্ত্রটি ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে, এই ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইআরজিসি কিছু বলেনি।

Description of image

১৯ জুন। রাতের নীরবতা ভেঙে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র তেল আবিবে আঘাত হানে। ধারাবাহিক বিস্ফোরণে বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকায় অভূতপূর্ব ক্ষতি হয়েছে। আইডিএফ দাবি করেছে যে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির মধ্যে অন্তত একটিতে ক্লাস্টার ওয়ারহেড ছিল।

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আবরণে ঢাকা একটি বিপজ্জনক অস্ত্রকে ক্লাস্টার ওয়ারহেড বলা হয়। কখনও কখনও এটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়েও বিপজ্জনক উপায়ে আঘাত করে।

মূলত, ক্লাস্টার ওয়ারহেডগুলিকে মাটি থেকে ৭-৮ হাজার মিটার উচ্চতায় বাতাসে থাকা অবস্থায় ছোট ওয়ারহেড বা সাব-মিনিশনে ভাগ করা হয়। যা আশেপাশের এলাকায় কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। যেখান থেকে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে।

ক্লাস্টার বোমার সাবমেরিনেশনগুলি দীর্ঘ সময় ধরে মাটিতে সক্রিয় এবং অবিস্ফোরিত থাকতে পারে। যদি কেউ অজান্তে এর সংস্পর্শে আসে, তাহলে প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যায়। অন্য কথায়, এটিকে এক ধরণের জীবন্ত মাইনও বিবেচনা করা যেতে পারে।

২০০৮ সালে ক্লাস্টার বোমার কনভেনশন নামে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ক্লাস্টার বোমার সংরক্ষণ, পরিবহন এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ। ১০০ টিরও বেশি দেশ এতে স্বাক্ষর করেছে। তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীনের মতো পরাশক্তি সহ মাত্র কয়েকটি দেশের কাছে ক্লাস্টার প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র অস্ত্রাগার রয়েছে। ধারণা করা হয় যে ইরানের রহস্যময় ক্ষেপণাস্ত্র বহরেও এই ওয়ারহেড রয়েছে। যার মধ্যে একটি হল খাইবার এবং ফজর III ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।