১০ দিনব্যাপী ৪১তম আন্তর্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিল সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

Untitled design - 2026-06-11T160417.767

আগামী ১০ দিনব্যাপী আহলে বায়তে রাসূল (দ.) স্মরণে ৪১তম আন্তর্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিল সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে গতকাল বুধবার (১০ জুন) এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলটি আগামী ১৭ জুন বুধবার থেকে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রফেসর কামাল উদ্দিন এর সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভায় মাহফিলের সার্বিক প্রস্তুতি, ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, অতিথি আপ্যায়ন এবং সকল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রস্তুতি সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহফিল পরিচালনা পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক ও পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসাইন সোহাগ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচার এবং সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আহলে বায়তে রাসূল (দ.) এ মাহফিল ৪১ বছর ধরে করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ আয়োজন সফল হবে বলে আমরা আশাবাদী। তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ১০ দিনব্যাপী এ মাহফিলে সকলে পরিবার-পরিজনসহ অংশগ্রহণ করে কোরআন-হাদিসের বাণী এবং আলেম-ওলামাদের দিকনির্দেশনা আলোচনা থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য।

Description of image


সভায় বক্তারা মাহফিলের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও একুশে পদক প্রাপ্ত বিশিষ্ট শিল্পপতি ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্ব আলহাজ সুফী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান-এর সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া করেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উপস্থিত সকলেই মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর দ্রুত আরোগ্য, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। বক্তারা বলেন, তাঁর নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও অবদান মাহফিলের কার্যক্রমকে সমৃদ্ধ করেছে। সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও আয়োজকবৃন্দ মাহফিল সফল করতে সর্বস্তরের মুসলমানদের সহযোগিতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই মাহফিল ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং নৈতিক সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে ১০ দিনব্যাপী মাহফিলে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে।


প্রস্তুতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাহফিল পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী হোসেন সোহাগ, প্রফেসর কামাল উদ্দিন আহমদ, আলহাজ্ব খোরশেদুর রহমান, আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, আলহাজ্ব সিরাজুল মোস্তফা, আলহাজ্ব আনোয়ারুল হক, পেয়ার মোহাম্মদ, নোমায়ের মিজান আমির, আব্দুস শুক্কুর, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল হাই মাসুম, আলহাজ্ব দিলশাদ আহমেদ, ড. জাফর উল্লাহ, আলহাজ্ব জাফর সওদাগর, হাফেজ সালামত উল্লাহ, মো. মাঈনুদ্দিন মিঠু, মাহাবুল আলম, মনসুর শিকদার, শাহেদ করিম, খোরশেদ আলী চৌধুরী, নাজিব আশরাফ এবং ইয়াসিন আনসারী।